আকিকার দোয়া ও নিয়ত: একটি শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়া প্রতিটি বাবা-মায়ের জন্য পরম সৌভাগ্যের বিষয়। প্রকৃতপক্ষে সন্তান মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে দেওয়া সবচেয়ে বড় নেয়ামত। ইসলাম এই আনন্দের দিনে শুকরিয়া স্বরূপ পশু জবেহ করার নির্দেশ দেয়। মূলত এই ইবাদতটিকেই আমরা ‘আকিকা’ নামে চিনে থাকি। বাস্তবে আকিকা কেবল একটি সামাজিক অনুষ্ঠান নয় বরং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ। ফলে সন্তানের কল্যাণে আকিকার দোয়া ও নিয়ত জেনে সঠিক নিয়মে পশু জবেহ করা জরুরি।
সন্তানের জন্মের সপ্তম দিনে আকিকা করা রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর পছন্দনীয় আমল। এছাড়া এই দিনে শিশুর সুন্দর নাম রাখা এবং চুল মুণ্ডন করা হয়। অন্যদিকে আকিকার মাধ্যমে নবজাতকের আপদ-বিপদ দূর হয় বলে হাদীসে বর্ণিত আছে। তাই প্রতিটি মুসলিম অভিভাবকের উচিত আকিকার শরয়ী বিধান সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান রাখা। বর্তমানে অনেকে ইন্টারনেটে আকিকা করার সঠিক পদ্ধতি ও দোয়া খুঁজে থাকেন। ফলে আপনার সুবিধার্থে আমরা কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে এই পূর্ণাঙ্গ গাইডটি তৈরি করেছি।
অনেকেই মনে করেন আকিকা কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। বাস্তবে এটি সন্তানের জীবনের নিরাপত্তা ও বারাকাহ লাভের অন্যতম একটি মাধ্যম। ধরুন আপনি সঠিক দোয়া বা নিয়ত জানেন না তবে চিন্তার কিছু নেই। মূলত বিসমিল্লাহ বলে জবেহ করলেই আকিকা সহীহ হয়ে যায়। তবুও সুন্নাহ সমর্থিত দোয়া পাঠ করলে সওয়াব ও বরকত অনেক বৃদ্ধি পায়। এই প্রতিবেদনে আমরা আকিকার প্রতিটি ধাপ অত্যন্ত সহজ ও সাবলীলভাবে ব্যাখ্যা করব।
প্রকৃতপক্ষে এই নিবন্ধটি আপনাকে ধর্মীয় ও কারিগরি উভয় দিক থেকে সহায়তা করবে। আমরা এখানে আরবী দোয়ার পাশাপাশি বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছি। অর্থাৎ আপনি ঘরে বসেই আকিকা সংক্রান্ত সকল মাসআলা এক জায়গায় পেয়ে যাবেন। আমাদের লক্ষ্য হলো আপনাকে বিশুদ্ধ তথ্যের মাধ্যমে সঠিক ইবাদতে সাহায্য করা। চলুন তবে আকিকার গুরুত্ব ও সঠিক দোয়াগুলো বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক।
আকিকা কী এবং ইসলামের দৃষ্টিতে এর গুরুত্ব
আকিকা হলো নবজাতক সন্তানের কল্যাণে আল্লাহর নামে নির্দিষ্ট পশু জবেহ করা। প্রকৃতপক্ষে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ যা পালন করা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “প্রত্যেকটি শিশু তার আকিকার সাথে দায়বদ্ধ থাকে; সপ্তম দিনে তার পক্ষ থেকে জবেহ করতে হবে।” (সুনানে তিরমিযী)। ফলে সন্তানের জন্মের পর সামর্থ্য থাকলে আকিকা করা অভিভাবকদের নৈতিক ও ধর্মীয় দায়িত্ব।
বাস্তবে আকিকার মাধ্যমে শিশুর শারীরিক ও মানসিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। এছাড়া এটি দরিদ্র ও আত্মীয়দের গোশত খাওয়ানোর মাধ্যমে সামাজিক বন্ধন মজবুত করে। ধরুন আপনি সময়মতো আকিকা দিতে পারেননি তবে সুযোগ থাকলে তা দ্রুত আদায় করুন। মূলত সপ্তম দিনটিই হলো আকিকার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত ও ফযীলতপূর্ণ সময়। অন্যদিকে এর মাধ্যমে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার একটি মহৎ সুযোগ তৈরি হয়।
আকিকার ফজিলত ও গুরুত্ব
আকিকা করলে মহান আল্লাহ সন্তানের উপর থেকে আসা বালা-মুসিবত দূর করে দেন। প্রকৃতপক্ষে এটি একটি মুক্তিপণ স্বরূপ যা শিশুকে শয়তানের অনিষ্ট থেকে রক্ষা করে। বাস্তবে হাদীসে আকিকাকে ‘বন্ধক’ বা ‘দায়বদ্ধ’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই সামর্থ্যবান পিতামাতার জন্য এটি অবহেলা করা মোটেও উচিত নয়। এছাড়া এটি ইসলামের অন্যতম একটি সুন্দর ও অর্থবহ পারিবারিক ঐতিহ্য।
আকিকা করার সঠিক সময়
ইসলামী শরীয়ত অনুযায়ী সন্তানের জন্মের সপ্তম দিনে আকিকা করা উত্তম। তবে কোনো কারণে সম্ভব না হলে চতুর্দশ বা একবিংশ দিনেও করা যায়। বাস্তবে যদি এই দিনগুলোতেও করা না হয় তবে জীবনের যেকোনো সময় তা আদায় করা সম্ভব। ফলে সময়ের কারণে আকিকা বাদ দেওয়ার কোনো অবকাশ নেই। মূলত যত দ্রুত সম্ভব এই সুন্নাহটি পালন করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
ছেলে ও মেয়ের আকিকার পার্থক্য
ছেলে এবং মেয়ের আকিকার ক্ষেত্রে পশুর সংখ্যার একটি ভিন্নতা শরীয়তে রয়েছে। প্রকৃতপক্ষে ছেলের জন্য সমমানের দুইটি ছাগল এবং মেয়ের জন্য একটি ছাগল জবেহ করতে হয়। বাস্তবে যদি ছেলের জন্য দুইটি পশু দেওয়ার সামর্থ্য না থাকে তবে একটি দিলেও আদায় হবে। অন্যদিকে উট বা গরুর ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট অংশের মাধ্যমে এই বিধান পূরণ করা যায়। মূলত নিয়ত এবং ইখলাসের মাধ্যমেই ইবাদত আল্লাহর দরবারে কবুল হয়।
-আরও পড়ুন: কাওসার নামের অর্থ কি? জান্নাতের নদী, অশেষ কল্যাণ ও কুরআনিক রহস্যের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
আকিকার পশুর দোয়া ও নিয়ত (আরবি, বাংলা ও অর্থ)
আকিকার পশু জবেহ করার সময় বিশেষ দোয়া পাঠ করা সুন্নাহ। প্রকৃতপক্ষে যদি কেউ আরবী দোয়া না পারেন তবে কেবল ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’ বললেই আকিকা হয়ে যাবে। বাস্তবে রাসূলুল্লাহ (সা.) নিজে আকিকা করার সময় নির্দিষ্ট বাক্য উচ্চারণ করতেন। ফলে সুন্নাহ অনুসরণের জন্য নির্দিষ্ট দোয়াটি শেখা আমাদের সবার জন্য প্রয়োজন। ধরুন আপনি নিজেই নিজের সন্তানের পশু জবেহ করছেন তবে এই দোয়াটি আপনার জন্য সহায়ক হবে।
পশু জবেহ করার সময় যে আরবী দোয়াটি পড়তে হয় তা নিচে দেওয়া হলো:
$بِسْمِ اللهِ وَاللهُ أَكْبَرُ، اَللّٰهُمَّ لَكَ وَإِلَيْكَ، هٰذِهِ عَقِيْقَةُ (সন্তানের নাম উল্লেখ করুন)$
বাংলা উচ্চারণ: বিসমিল্লাহি ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহুম্মা লাকা ওয়া ইলাইকা, হাযিহী আকীকাতু… (এখানে সন্তানের নাম বলবেন)।
অর্থ: আল্লাহর নামে শুরু করছি এবং আল্লাহ মহান। হে আল্লাহ! এটি আপনারই দেওয়া নেয়ামত এবং আপনারই সন্তুষ্টির জন্য উৎসর্গ করছি। এটি (অমুকের সন্তানের নাম) এর আকিকা।
বাস্তবে এই দোয়ার মাধ্যমে আমরা আল্লাহর কাছে সন্তানের সুরক্ষা এবং কবুলিয়াত কামনা করি। তবে পশুর গলার কাছে ছুরি চালানোর সময় ‘বিসমিল্লাহ’ বলা বাধ্যতামূলক। এছাড়া দোয়াটি পাঠ করার সময় আপনার নিয়ত বা সংকল্প থাকা চাই। প্রকৃতপক্ষে নিয়ত হলো মনের ইচ্ছা যা মুখে উচ্চারণ করা জরুরি নয়। ফলে মনে মনে ভাবলেই হবে যে আপনি সন্তানের কল্যাণে এই পশুটি উৎসর্গ করছেন।
অন্যদিকে যদি ভাড়াটে কোনো কসাই বা অন্য কেউ জবেহ করেন তবে তাকে দিয়েও দোয়াটি পড়ানো যায়। এছাড়া আপনি পাশে দাঁড়িয়ে দোয়াটি পড়তে পারেন। ধরুন আপনার সন্তানের নাম ‘আহমেদ’। সেক্ষেত্রে দোয়ার শেষে ‘হাযিহী আকীকাতু আহমেদ’ বলতে হবে। অর্থাৎ নির্দিষ্ট নাম উল্লেখ করা পশুর মালিকানা এবং ইবাদতকে সুনির্দিষ্ট করে দেয়।
আকিকার পশু নির্বাচনের শর্ত ও সঠিক নিয়ম
আকিকার পশুর শর্তাবলী সাধারণত কুরবানীর পশুর মতোই হয়ে থাকে। প্রকৃতপক্ষে পশুকে অবশ্যই সুস্থ এবং সবল হতে হবে। বাস্তবে রোগাক্রান্ত বা খোঁড়া পশু দিয়ে আকিকা করা ইসলামে অনুমোদিত নয়। ফলে পশু কেনার সময় তার বয়স এবং শারীরিক গঠনের দিকে বিশেষ নজর দিন। মূলত আল্লাহর রাস্তায় উৎসর্গকৃত জিনিসটি যেন নিখুঁত ও সুন্দর হয় সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি।
পশু নির্বাচনের ক্ষেত্রে নিচের বিষয়গুলো অবশ্যই খেয়াল রাখবেন:
- পশুর বয়স: ছাগল বা দুম্বার ক্ষেত্রে কমপক্ষে এক বছর পূর্ণ হতে হবে।
- গরু বা মহিষ: এক্ষেত্রে পশুর বয়স কমপক্ষে দুই বছর হওয়া আবশ্যক।
- ত্রুটিমুক্ত হওয়া: পশুর কান কাটা বা শিং ভাঙা যেন না থাকে।
গরু বা মহিষে আকিকার অংশ নেওয়া নিয়ে অনেক ভিন্ন মত রয়েছে। তবে নির্ভরযোগ্য মত অনুযায়ী কুরবানীর মতো বড় পশুর সাত ভাগের এক ভাগ দিয়েও আকিকা করা যায়। ফলে আপনি চাইলে কুরবানীর গরুতেও সন্তানের আকিকার অংশ যুক্ত করতে পারেন। বাস্তবে এটি অনেক পরিবারের জন্য আর্থিক দিক থেকে সহজসাধ্য হয়। অন্যদিকে ছাগল বা ভেড়া দিয়ে আলাদাভাবে আকিকা করা প্রাচীন ও উত্তম সুন্নাহ।
মৃত শিশুর আকিকা করা নিয়ে অনেক বাবা-মা চিন্তিত থাকেন। প্রকৃতপক্ষে যদি কোনো শিশু জন্মের পর জীবিত থাকে এবং পরে মারা যায় তবে তার আকিকা করা উচিত। বাস্তবে এটি পরকালে ঐ শিশুর সুপারিশ পাওয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে। ধরুন কোনো শিশু কয়েক ঘণ্টা বেঁচে ছিল তবে তারও আকিকা দেওয়া উত্তম। ফলে মৃত বা জীবিত উভয় শিশুর ক্ষেত্রেই এই বিধানটি পালন করা সৌন্দর্য।
আকিকার গোশত বন্টন ও সামাজিক বিধান
আকিকার পশুর গোশত বন্টনের নিয়ম মূলত কুরবানীর গোশতের মতোই। প্রকৃতপক্ষে আপনি এই গোশত নিজে খেতে পারেন এবং আত্মীয়দের মাঝে বিতরণ করতে পারেন। বাস্তবে গোশত তিন ভাগ করা বাধ্যতামূলক নয় তবে এটি করা উত্তম। ফলে এক ভাগ নিজের জন্য এবং বাকি দুই ভাগ গরিব ও আত্মীয়দের দিলে হক আদায় হয়। অন্যদিকে অনেকে মনে করেন সন্তানের মা-বাবা এই গোশত খেতে পারবেন না। আসলে এটি একটি ভুল ধারণা এবং মা-বাবাসহ সবাই এই গোশত খেতে পারেন।
আকিকার গোশত কাঁচা বন্টন করা যেমন জায়েজ তেমনি রান্না করে খাওয়ানোও সওয়াবের কাজ। ধরুন আপনি বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীয়দের দাওয়াত দিয়ে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করলেন। প্রকৃতপক্ষে এটি সামাজিক সম্পর্ক বৃদ্ধিতে এবং শুকরিয়া আদায়ে দারুণ ভূমিকা রাখে। এছাড়া আরবের প্রাচীন ঐতিহ্যে আকিকার গোশত রান্না করে মেহমানদের খাওয়ানোকে বেশ গুরুত্ব দেওয়া হতো। ফলে আপনি আপনার সুবিধা অনুযায়ী যেকোনো পদ্ধতি বেছে নিতে পারেন।
অনেকের মাঝে একটি প্রচলিত ধারণা আছে যে আকিকার পশুর হাড় ভাঙ্গা যাবে না। বাস্তবে ইসলামী শরীয়তে হাড় না ভাঙ্গার ব্যাপারে কোনো শক্ত বাধ্যবাধকতা নেই। তবে কোনো কোনো আলেম হাড় না ভেঙ্গে জোড়ায় জোড়ায় আলাদা করাকে পছন্দনীয় বলেছেন। প্রকৃতপক্ষে এটি কেবল একটি মুস্তাহাব বা ভালো কাজ হিসেবে গণ্য হয়। তাই হাড় ভেঙ্গে ফেললে আকিকার কোনো ক্ষতি হবে না এবং এটি নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই।
সফলভাবে আকিকা সম্পন্ন করার ৫টি ধাপ
আপনি যদি আপনার সন্তানের আকিকা সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে চান তবে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন। মূলত এই চেইন অফ কমান্ড মেনে চললে ধর্মীয় বিধান ও সামাজিকতা উভয়ই রক্ষা পাবে:
- সঠিক পশু নির্বাচন: সুন্নাহ অনুযায়ী সুস্থ ও ত্রুটিমুক্ত পশু ক্রয় করুন।
- সঠিক সময় নির্ধারণ: সম্ভব হলে জন্মের সপ্তম দিনে আকিকার দিন ধার্য করুন।
- দোয়া ও জবেহ: আরবী দোয়া ও নিয়তসহ অভিজ্ঞ কাউকে দিয়ে পশু জবেহ করান।
- নাম ও চুল মুণ্ডন: আকিকার দিনেই শিশুর সুন্দর নাম রাখুন ও মাথার চুল সমান ওজনে সাদাকা করুন।
- গোশত বন্টন: আত্মীয় ও অভাবী মানুষদের মাঝে গোশত পৌঁছে দিন বা রান্না করে খাওয়ান।
আপনার সন্তানের জন্য একটি সুন্দর আগামীর প্রার্থনা
আকিকা কেবল একটি প্রথা নয় বরং এটি আপনার সন্তানের জীবনের এক বরকতময় শুরু। প্রকৃতপক্ষে সঠিক নিয়মে আকিকার দোয়া ও নিয়ত পালন করা প্রতিটি মুমিনের আত্মার প্রশান্তি। আপনার আদরের নবজাতক যেন ইসলামের আলোয় আদর্শ মানুষ হিসেবে বড় হতে পারে। বাস্তবে আপনার এই ছোট ত্যাগ আল্লাহর দরবারে কবুল হোক—এটিই আমাদের একমাত্র প্রার্থনা।
আল্লাহ যেন আপনার সন্তানকে যাবতীয় অনিষ্ট থেকে রক্ষা করেন এবং নেক হায়াত দান করেন। এছাড়া সে যেন পিতা-মাতার চোখের শীতলতা এবং উম্মাহর গর্ব হিসেবে গড়ে ওঠে। আমরা আশা করি এই গাইডটি আপনাকে সঠিক নিয়মে আকিকা সম্পন্ন করতে পূর্ণাঙ্গ সহায়তা করেছে। মূলত আপনার ইখলাস ও নিয়ত যত বিশুদ্ধ হবে ইবাদতের স্বাদ ততই বৃদ্ধি পাবে।
পরিশেষে আমাদের এই আলোচনা সম্পর্কে আপনার কোনো জিজ্ঞাসা আছে কি? প্রকৃতপক্ষে আপনার যেকোনো মতামত আমাদের আরও সমৃদ্ধ করতে সাহায্য করবে। আপনার পরিবারের সুখ ও সমৃদ্ধি কামনায় আমরা সবসময় আপনার সাথে আছি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সহীহ সুন্নাহ অনুযায়ী জীবন গড়ার তৌফিক দান করুন।
- রিপোর্টার: মিজানুর রহমান হৃদয়
- সম্পাদনা: এস এ দিপু
এই বিষয়ে আপনার করণীয়: আপনার সন্তানের আকিকা করার সময় অবশ্যই স্থানীয় বিজ্ঞ আলেমের পরামর্শ নিন। কারণ পশুর বয়স এবং জবেহ করার সময় নির্দিষ্ট মাসআলাগুলো সরাসরি জেনে নেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ।
আরও পড়ুন: মহিলা সাহাবীদের আনকমন নামের তালিকা: অর্থ ও জীবনীসহ ৩০টি দুষ্প্রাপ্য নাম (পূর্ণাঙ্গ গাইড)
![ফ দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম: অর্থসহ ১৫০+ আধুনিক ও আনকমন তালিকা [২০২৬]](https://islaminaamkosh.com/wp-content/uploads/2026/01/ফ-দিয়ে-মেয়েদের-ইসলামিক-নাম.jpg)
![ই দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম: অর্থসহ ৩০টি আধুনিক ও আনকমন নাম [তালিকা]](https://islaminaamkosh.com/wp-content/uploads/2026/01/ই-দিয়ে-ছেলেদের-ইসলামিক-নাম.jpg)
![ছেলেদের দুই শব্দের আধুনিক ইসলামিক নাম: অর্থ ও সেরা কম্বিনেশন [তালিকা]](https://islaminaamkosh.com/wp-content/uploads/2026/01/ছেলেদের-দুই-শব্দের-আধুনিক-ইসলামিক-নাম.jpg)